গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

মেনু

স্বাস্থ্য প্রতিদিন

ফোনের অতিরিক্ত ব্যবহারে চোখের সুরক্ষায় বদলান পাঁচ সেটিংস

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৭:২১ পিএম, ২৯ জুলাই ২০২৬ | আপডেট: ১৮:৩৭ এএম ২০২৬
ফোনের অতিরিক্ত ব্যবহারে চোখের সুরক্ষায় বদলান পাঁচ সেটিংস
ছবি

প্রতীকী ছবি

বর্তমান সময়ে কাজ, পড়াশোনা, বিনোদন ও সামাজিক যোগাযোগ-সবকিছুর বড় অংশই নির্ভর করছে স্মার্টফোনের ওপর। ফলে দিনের দীর্ঘ সময় কেটে যাচ্ছে ফোনের পর্দার দিকে তাকিয়ে। কিন্তু অতিরিক্ত সময় ধরে স্ক্রিন ব্যবহারের কারণে চোখে নানা ধরনের অস্বস্তি দেখা দিতে পারে।

চোখ জ্বালা করা, শুষ্ক হয়ে যাওয়া, ঝাপসা দেখা, মাথাব্যথা কিংবা ঘুমের স্বাভাবিক ছন্দে ব্যাঘাত-দীর্ঘ সময় ফোন ব্যবহারের সঙ্গে এসব সমস্যার সম্পর্ক রয়েছে। তবে ফোনের কয়েকটি প্রদর্শন সেটিংস পরিবর্তন করলে চোখের ওপর চাপ অনেকটাই কমানো সম্ভব।

১. নাইট মোড বা নীল আলো নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা চালু করুন: রাতে ফোনের পর্দা থেকে বের হওয়া নীল আলো চোখের ক্লান্তি বাড়াতে পারে এবং ঘুমের স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় প্রভাব ফেলতে পারে। তাই সন্ধ্যার পর নাইট মোড বা নীল আলো নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা চালু রাখা ভালো।

এতে পর্দার রঙ কিছুটা উষ্ণ হয়ে যায়, যা দীর্ঘ সময় ব্যবহারে চোখের জন্য তুলনামূলক আরামদায়ক হতে পারে।

২. ডার্ক মোড ব্যবহার করুন: কম আলোতে উজ্জ্বল সাদা পর্দা চোখে বেশি চাপ তৈরি করতে পারে। এ ক্ষেত্রে ডার্ক মোড চালু করলে পর্দার অতিরিক্ত উজ্জ্বলতা কমে এবং চোখের অস্বস্তিও কিছুটা হ্রাস পায়।

বিশেষ করে রাতে পড়াশোনা, সংবাদ পড়া বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের সময় ডার্ক মোড কার্যকর হতে পারে।

৩. স্বয়ংক্রিয় উজ্জ্বলতা নিয়ন্ত্রণ চালু রাখুন: অনেকেই সব সময় একই মাত্রার উজ্জ্বলতায় ফোন ব্যবহার করেন। কিন্তু সব পরিবেশের জন্য একই মাত্রার আলো উপযুক্ত নয়।

স্বয়ংক্রিয় উজ্জ্বলতা নিয়ন্ত্রণ চালু থাকলে আশপাশের আলোর মাত্রা অনুযায়ী ফোন নিজেই পর্দার উজ্জ্বলতা সামঞ্জস্য করে। এতে অতিরিক্ত উজ্জ্বল বা অতিরিক্ত ম্লান পর্দার কারণে চোখের অস্বস্তি কমতে পারে।

৪. লেখার আকার ও প্রদর্শন বড় করুন: ছোট অক্ষর পড়ার জন্য চোখকে বেশি পরিশ্রম করতে হয়। তাই প্রয়োজন অনুযায়ী ফোনের লেখার আকার ও প্রদর্শনের আকার কিছুটা বড় করে নেওয়া ভালো।

এতে লেখা পড়া সহজ হয় এবং দীর্ঘ সময় ফোন ব্যবহারের সময় চোখ দ্রুত ক্লান্ত হয় না।

৫. পর্দা বন্ধ হওয়ার সময় কমিয়ে রাখুন: অনেক সময় ফোন ব্যবহার না করলেও পর্দা দীর্ঘক্ষণ চালু থাকে। পর্দা বন্ধ হওয়ার সময় কমিয়ে রাখলে নির্দিষ্ট সময় পর স্বয়ংক্রিয়ভাবে পর্দা বন্ধ হয়ে যাবে।

এতে অপ্রয়োজনীয় স্ক্রিন ব্যবহার কমবে, ব্যাটারির সাশ্রয় হবে এবং চোখও কিছুটা বিশ্রাম পাবে।

অভ্যাসেও পরিবর্তন জরুরি: চোখের সুরক্ষায় শুধু ফোনের সেটিংস পরিবর্তন করলেই হবে না, ব্যবহারের অভ্যাসেও পরিবর্তন আনা প্রয়োজন। বিশেষজ্ঞরা দীর্ঘ সময় স্ক্রিন ব্যবহারের ক্ষেত্রে ‘২০-২০-২০’ নিয়ম মেনে চলার পরামর্শ দেন।

এই নিয়ম অনুযায়ী, প্রতি ২০ মিনিট ফোন ব্যবহারের পর অন্তত ২০ সেকেন্ডের জন্য ২০ ফুট দূরের কোনো বস্তুর দিকে তাকানো উচিত।

এ ছাড়া পর্যাপ্ত আলোতে ফোন ব্যবহার করা, ঘুমানোর ঠিক আগে দীর্ঘ সময় স্ক্রিন দেখা এড়িয়ে চলা এবং নিয়মিত বিরতি নেওয়ার অভ্যাস গড়ে তোলা জরুরি।

প্রযুক্তি আমাদের জীবনকে সহজ করেছে, তবে এর ব্যবহারে সচেতনতা না থাকলে তা স্বাস্থ্যের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে। ছোট ছোট কিছু পরিবর্তনের মাধ্যমে স্মার্টফোন ব্যবহারের অভিজ্ঞতাকে যেমন আরামদায়ক করা যায়, তেমনি দীর্ঘমেয়াদে চোখের সুরক্ষাও নিশ্চিত করা সম্ভব। 
সানা/আপ্র/২৯/৭/২০২৬
 

সংশ্লিষ্ট খবর

কর্মস্থলে অনুপস্থিত, সাতক্ষীরায় ৪ চিকিৎসক বরখাস্ত
২৯ জুলাই ২০২৬

কর্মস্থলে অনুপস্থিত, সাতক্ষীরায় ৪ চিকিৎসক বরখাস্ত

কোনো ধরনের পূর্বানুমতি ছাড়াই কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকায় চার চিকিৎসককে সাময়িক বরখাস্ত করেছে স্বাস্থ্য...

টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিকের অভিযোগ, তদন্তে নামছে বিএসটিআই
২৮ জুলাই ২০২৬

টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিকের অভিযোগ, তদন্তে নামছে বিএসটিআই

দেশের বাজারে বিক্রি হওয়া কয়েকটি টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতির অভিযোগকে গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে...

মানসিক চাপ কমিয়ে প্রশান্তির ঘুম আনে সংগীত
২৭ জুলাই ২০২৬

মানসিক চাপ কমিয়ে প্রশান্তির ঘুম আনে সংগীত

স্বাস্থ্য প্রতিদিন===

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

শিল্পী বললেন ‘শ্রাবণের মেঘগুলো’ এখন প্রতিবাদের ভাষা

‘শ্রাবণের মেঘগুলো জড়ো হলো আকাশে গানটি সিলেটের এক শিক্ষিকাকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তৈরি হওয়া সমালোচনার বিরুদ্ধে দেশজুড়ে শিক্ষকদের সংহতির প্রতীক হয়ে উঠেছে। গানটির গায়ক মেজবাহ রহমান বলেন, “আমাদের এই গানটি যে অন্যায্য সমালোচনার বিরুদ্ধে একটি বড় সামাজিক আন্দোলনের ভাষা হয়ে উঠবে, তা কখনো ভাবিনি। গানটি মূলত প্রকৃতিকে ঘিরে তৈরি হয়েছিল। কিন্তু যেভাবে এটি ছড়িয়ে পড়েছে, তাতে এখন এটি অনেকের কাছে প্রতিবাদের ভাষা হয়ে দাঁড়িয়েছে।” প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন গানটি সত্যিই প্রতিবাদের চূড়ান্ত পর্যায়ে এসেছে?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 17 ঘন্টা আগে