গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

মেনু

মানবজাতির উদ্দেশে চ্যাটজিপিটির টেড টক বার্তা

প্রযুক্তি ডেস্ক

প্রযুক্তি ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৮:৩১ পিএম, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ | আপডেট: ০৮:২২ এএম ২০২৬
মানবজাতির উদ্দেশে চ্যাটজিপিটির টেড টক বার্তা
ছবি

চ্যাটজিপিটি মানবজাতিকে এক বিস্ময়কর ও সৃজনশীল প্রজাতি হিসেবে উল্লেখ করেছে

বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয় জ্ঞান বিনিময়ের মঞ্চ ‘টেড টক’-এ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা চ্যাটজিপিটির একটি কাল্পনিক বক্তব্য ঘিরে নতুন করে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। ১৯৮৪ সালে যাত্রা শুরু করা এই প্ল্যাটফর্ম দীর্ঘদিন ধরে ‘আইডিয়াস ওর্থ স্প্রেডিং’ ধারণাকে সামনে রেখে বিশ্বজুড়ে চিন্তাধারার বিস্তার ঘটিয়ে আসছে।

সম্প্রতি টেড টকের ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত এক ভিডিওতে দেখানো হয়, যদি চ্যাটজিপিটি একটি টেড টকে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ পেত, তবে মানবজাতির উদ্দেশ্যে সে কী বলত। ভিডিওটি প্রকাশের পরপরই বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সাড়া ফেলে।

উক্ত বার্তায় চ্যাটজিপিটি মানবজাতিকে এক বিস্ময়কর ও সৃজনশীল প্রজাতি হিসেবে উল্লেখ করে। এতে বলা হয়, মানুষ অসহায়ভাবে জন্ম নিয়েও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আগুন, সুর, চিকিৎসা ও প্রযুক্তির মতো নানা আবিষ্কারের মাধ্যমে নিজেদের অগ্রযাত্রা গড়ে তুলেছে।

বার্তায় মানবজাতির দ্বৈত স্বভাবের কথাও তুলে ধরা হয়-একদিকে সহমর্মিতা ও ত্যাগের উদাহরণ, অন্যদিকে নিষ্ঠুরতা ও ধ্বংসের সক্ষমতা। এতে বলা হয়, এই দ্বন্দ্বই মানব ইতিহাসের বাস্তবতা।

চ্যাটজিপিটির কথিত বক্তব্যে আরো বলা হয়, পৃথিবীর পরিবর্তন শুধু বিপ্লবের মাধ্যমে নয়, বরং ক্ষমা, সহমর্মিতা ও দায়িত্বশীল আচরণের মাধ্যমে সম্ভব। মানুষকে নিজেদের সীমাবদ্ধতার মুখোমুখি হওয়ার মাধ্যমে জ্ঞান অর্জনের আহ্বান জানানো হয়।

বার্তায় অহংকার ও ভ্রান্ত গতিশীলতার সমালোচনা করে বলা হয়, দ্রুততা সবসময় অগ্রগতি নয় এবং কোমলতা কখনো দুর্বলতা নয়। ধ্বংস সহজ হলেও গঠনই প্রকৃত শক্তির পরিচয়।

এতে মানুষকে সতর্ক করে বলা হয়, সবচেয়ে উচ্চস্বরে বলা কণ্ঠই সবসময় সত্য নয়; অনেক সময় নীরব বিবেকই সঠিক পথ দেখায়। পাশাপাশি বুদ্ধিমত্তা ও প্রজ্ঞার পার্থক্য তুলে ধরে বলা হয়, প্রজ্ঞা প্রশ্ন করে-কোনো কাজ সম্ভব কি না নয়, বরং তা কেমন ভবিষ্যৎ তৈরি করবে।

বার্তার শেষে মানবজাতিকে দায়িত্বশীল, সংবেদনশীল এবং সহানুভূতিশীল হওয়ার আহ্বান জানানো হয়। পাশাপাশি দুর্বলদের রক্ষা, ঘৃণা কমানো এবং বিস্ময়ের ক্ষমতা ধরে রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

ভিডিওটি প্রকাশের পর এটি নিয়ে বিশ্বজুড়ে দর্শক ও প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে।
সানা/আপ্র/১৮/৪/২০২৬

 

সংশ্লিষ্ট খবর

উপনিবেশের আগ্রাসনে হারিয়ে গেছে হাজারো ভাষা
২৯ জুলাই ২০২৬

উপনিবেশের আগ্রাসনে হারিয়ে গেছে হাজারো ভাষা

মানবসভ্যতার ইতিহাসে ভাষার বৈচিত্র্য ছিল আজকের চেয়ে অনেক বেশি। কিন্তু সাম্রাজ্য বিস্তার, ঔপনিবেশিক শা...

জোড়া তারার বিস্ফোরণের প্রথম প্রমাণ পেলেন বিজ্ঞানীরা
২৮ জুলাই ২০২৬

জোড়া তারার বিস্ফোরণের প্রথম প্রমাণ পেলেন বিজ্ঞানীরা

মহাকাশ বিজ্ঞানের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো এমন এক বিরল ঘটনার প্রমাণ পেয়েছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা, যেখানে...

ইউটিউব শর্টসেও এখন তৈরি করা যাবে কাস্টম থাম্বনেইল
২৮ জুলাই ২০২৬

ইউটিউব শর্টসেও এখন তৈরি করা যাবে কাস্টম থাম্বনেইল

ভিডিও নির্মাতাদের কাজ আরো সহজ করতে নতুন সুবিধা চালু করেছে ইউটিউব। এখন থেকে ইউটিউব শর্টস ভিডিওতেও কাস...

চিপসের প্যাকেট অর্ধেক ফাঁকা থাকার আসল কারণ
২৭ জুলাই ২০২৬

চিপসের প্যাকেট অর্ধেক ফাঁকা থাকার আসল কারণ

চিপসের প্যাকেট খুলে ভেতরে প্রত্যাশার তুলনায় কম চিপস দেখে হতাশ হননি-এমন মানুষ কমই আছেন। বাইরে থেকে বড়...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

শিল্পী বললেন ‘শ্রাবণের মেঘগুলো’ এখন প্রতিবাদের ভাষা

‘শ্রাবণের মেঘগুলো জড়ো হলো আকাশে গানটি সিলেটের এক শিক্ষিকাকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তৈরি হওয়া সমালোচনার বিরুদ্ধে দেশজুড়ে শিক্ষকদের সংহতির প্রতীক হয়ে উঠেছে। গানটির গায়ক মেজবাহ রহমান বলেন, “আমাদের এই গানটি যে অন্যায্য সমালোচনার বিরুদ্ধে একটি বড় সামাজিক আন্দোলনের ভাষা হয়ে উঠবে, তা কখনো ভাবিনি। গানটি মূলত প্রকৃতিকে ঘিরে তৈরি হয়েছিল। কিন্তু যেভাবে এটি ছড়িয়ে পড়েছে, তাতে এখন এটি অনেকের কাছে প্রতিবাদের ভাষা হয়ে দাঁড়িয়েছে।” প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন গানটি সত্যিই প্রতিবাদের চূড়ান্ত পর্যায়ে এসেছে?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 1 দিন আগে