গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬

মেনু

বিশ্ববাজারে খাদ্য-জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির শঙ্কা, বাড়ছে বাংলাদেশের ঝুঁকি

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রকাশিত: ০০:৫৮ পিএম, ০৬ নভেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ০১:৫৭ এএম ২০২৬
বিশ্ববাজারে খাদ্য-জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির শঙ্কা, বাড়ছে বাংলাদেশের ঝুঁকি
ছবি

দুই বছরে খাদ্যপণ্যের দাম বাড়তে পারে প্রায় ১৮ শতাংশ। জ্বালানির দাম এক বছরেই বাড়তে পারে ৩২ শতাংশ -ছবি সংগৃহীত

বিশ্ববাজারে খাদ্য ও জ্বালানির দাম বাড়ার নতুন আশঙ্কা বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠছে। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত, আন্তর্জাতিক সরবরাহব্যবস্থায় বিঘ্ন এবং শক্তিশালী এল নিনোর প্রভাবে খাদ্য উৎপাদনে ঝুঁকি-সব মিলিয়ে আগামী দিনগুলোতে আমদানি ব্যয় ও মূল্যস্ফীতির ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হতে পারে। বিশ্বব্যাংকের পূর্বাভাস বলছে, ২০২৬ সালে বিশ্ববাজারে পণ্যের সামগ্রিক দাম গড়ে ২৩ শতাংশ বাড়তে পারে। খাদ্যপণ্যের দাম চলতি বছর প্রায় ১০ শতাংশ এবং ২০২৭ সালে আরো ৭ শতাংশ বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। অর্থাৎ দুই বছরে খাদ্যপণ্যের দাম বাড়তে পারে প্রায় ১৮ শতাংশ। জ্বালানির দাম এক বছরেই বাড়তে পারে ৩২ শতাংশ।

বিশ্বব্যাংকের ২৮ অক্টোবর প্রকাশিত ‘কমোডিটি মার্কেটস আউটলুক’ প্রতিবেদনে বৈশ্বিক পণ্যের বাজারে এই অস্থিরতার চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। সংস্থাটির মতে, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের ধাক্কা দিয়েছে। একই সঙ্গে শস্য পরিবহনে বিঘ্ন এবং এল নিনো-সংশ্লিষ্ট আবহাওয়াগত ঝুঁকি খাদ্যপণ্যের উৎপাদন ও সরবরাহকে অনিশ্চিত করে তুলছে। এর সঙ্গে জ্বালানি ও সারের বাড়তি ব্যয় যুক্ত হয়ে কৃষি উৎপাদনের খরচও বাড়াচ্ছে। ফলে একাধিক সংকট একই সময়ে পণ্যের বাজারে চাপ সৃষ্টি করছে।্

বাংলাদেশের জন্য এই পূর্বাভাস বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ খাদ্যশস্য, ভোজ্যতেল, জ্বালানি ও কৃষি উপকরণের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ আমদানির মাধ্যমে চাহিদা পূরণ করতে হয়। আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়লে আমদানি ব্যয় বেড়ে যায়; ডলারের বিনিময় হার ও পরিবহন খরচের প্রভাব যুক্ত হলে সেই চাপ আরো তীব্র হতে পারে। শেষ পর্যন্ত আমদানিকারক, উৎপাদক ও ব্যবসায়ীদের বাড়তি ব্যয়ের একটি অংশ ভোক্তার ওপর পড়ার আশঙ্কা থাকে। তবে বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে খাদ্যপণ্যের দাম বা মূল্যস্ফীতি কতটা বাড়তে পারে, সে বিষয়ে কোনো নির্দিষ্ট পূর্বাভাস দেয়নি। প্রভাবের মাত্রা নির্ভর করবে আন্তর্জাতিক বাজারদর, আমদানি ব্যয়, বিনিময় হার এবং সরকার ও ব্যবসায়ীরা বাড়তি ব্যয়ের কতটা ভোক্তার ওপর চাপান, তার ওপর।

দেশের বর্তমান মূল্যস্ফীতির পরিস্থিতিও এই উদ্বেগকে গুরুত্ব দিচ্ছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর হিসাবে, ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরে সার্বিক মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৩৪ শতাংশে, যা আগস্টে ছিল ৮ দশমিক ২৬ শতাংশ। একই সময়ে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৭ দশমিক ২ শতাংশ থেকে বেড়ে হয়েছে ৭ দশমিক ২২ শতাংশ। অন্যদিকে বাংলাদেশ ব্যাংকের মূল্যস্ফীতিবিষয়ক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে আমদানিনির্ভর খাদ্য ও খাদ্যবহির্ভূত পণ্যের অবদান মোট মূল্যস্ফীতিতে বেড়ে ২৭ শতাংশ হয়েছে; আগের প্রান্তিকে যা ছিল ২৪ দশমিক ৯ শতাংশ। অর্থাৎ আন্তর্জাতিক বাজারের পরিবর্তন দেশের বাজারে মূল্যস্ফীতির চাপ তৈরির একটি বাস্তব পথ তৈরি করে রেখেছে।

খাদ্যবাজারে বাড়ছে উদ্বেগ
বিশ্বব্যাংকের হিসাবে, ২০২৬ সালের তৃতীয় প্রান্তিকে দক্ষিণ এশিয়ায় খাদ্য মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৫ দশমিক ৮ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। ২০১০ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত এ অঞ্চলে খাদ্য মূল্যস্ফীতির গড় হার ছিল ৫ দশমিক ৬ শতাংশ। অর্থাৎ বর্তমান হার দীর্ঘমেয়াদি গড়কেও ছাড়িয়ে গেছে। এ অঞ্চলে শস্য ও ভোজ্যতেলের দাম বাড়ার পূর্বাভাস পরিস্থিতিকে আরো জটিল করতে পারে।

চালের বাজারে এরই মধ্যে চাপের লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। চলতি বছরের জুলাই-সেপ্টেম্বর সময়ে বিশ্ববাজারে চালের দাম আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ২৪ শতাংশ বেশি ছিল। দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় এল নিনো-সংশ্লিষ্ট আবহাওয়াগত উদ্বেগের কারণে উৎপাদন ও সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। বিশ্বব্যাংকের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৬ সালে চালের দাম ১০ শতাংশ এবং ২০২৭ সালে আরো ১২ শতাংশ বাড়তে পারে। গত এক দশকের মধ্যে এবারই প্রথম বিশ্বে চালের উৎপাদন কমার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

গমের বাজারেও একই ধরনের অস্থিরতার পূর্বাভাস রয়েছে। ২০২৬ সালে গমের দাম ২৮ শতাংশ এবং ২০২৭ সালে আরো ১৪ শতাংশ বাড়তে পারে। চলতি বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে শস্যের দাম আগের প্রান্তিকের তুলনায় ৯ শতাংশ বেড়েছে এবং এক বছর আগের তুলনায় তা ২৫ শতাংশ বেশি। একই সময়ে গমের দাম বেড়েছে ১৩ শতাংশ; গত বছরের একই সময়ের তুলনায় দাম এখন ৪০ শতাংশ বেশি। অক্টোবরে বিশ্ববাজারে খাদ্যপণ্যের সামগ্রিক মূল্যসূচকও এক বছর আগের তুলনায় ১২ শতাংশ বেশি ছিল।

জ্বালানি ও সারের বাড়তি দামে উৎপাদন ব্যয়ের চাপ
বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম ২০২৬ সালে ৩২ শতাংশ বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। এতে টানা তিন বছর দাম কমার প্রবণতার অবসান ঘটবে। সংস্থাটির হিসাবে, এ বছর প্রতি ব্যারেল ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের গড় দাম ৯১ ডলারে পৌঁছাতে পারে; ২০২৫ সালে যা ছিল ৬৯ ডলার। তবে ২০২৭ সালে গড় দাম কমে ৭৯ ডলারে নামতে পারে।

জ্বালানি সরবরাহের সংকটের গভীরতাও উদ্বেগজনক। ২০২৬ সালে বিশ্বে তেলের সরবরাহ ৫ দশমিক ২ শতাংশ কমতে পারে। ২০২০ সালের করোনা মহামারিজনিত বৈশ্বিক মন্দার সময় বাদ দিলে চার দশকের বেশি সময়ের মধ্যে সরবরাহ কমার এটিই হতে পারে সবচেয়ে বড় ঘটনা। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে সরবরাহ সীমিত হওয়ায় অক্টোবরের মাঝামাঝি সময়ে এশিয়ার তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের দাম সংঘাত শুরুর আগের তুলনায় প্রায় তিন গুণে পৌঁছেছিল।

জ্বালানির পাশাপাশি সারের দামও বাড়ছে। ২০২৬ সালে সারের দাম ১৪ শতাংশ বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাস রয়েছে। ২০২৭ সালে তা ১২ শতাংশ কমে ২০২৫ সালের পর্যায়ে ফিরতে পারে। কিন্তু জ্বালানি ও সারের দাম বাড়লে কৃষি উৎপাদন, সেচ, সংরক্ষণ এবং পরিবহন - প্রতিটি পর্যায়েই ব্যয় বাড়ে। বাংলাদেশের মতো আমদানিনির্ভর দেশে এর প্রভাব খাদ্য উৎপাদন থেকে শুরু করে বাজারে পণ্যের খুচরা দাম পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়তে পারে। ফলে শুধু আমদানি করা খাদ্যপণ্য নয়, দেশীয়ভাবে উৎপাদিত পণ্যের দামেও পরোক্ষ চাপ তৈরি হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।

চায়ের উৎপাদনেও এল নিনোর ঝুঁকি
বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে বাংলাদেশের চা উৎপাদন নিয়েও উদ্বেগের কথা বলা হয়েছে। এল নিনোর প্রভাবে দক্ষিণ এশিয়ায় চায়ের উৎপাদন ও গুণগত মান কমতে পারে। বিশেষ করে বাংলাদেশ ও ভারতের কিছু অঞ্চলে এর প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। সংস্থাটির মূল্যায়নে, দক্ষিণ এশিয়ার সব দেশই এল নিনোর কারণে উচ্চ বা মাঝারি মাত্রার ঝুঁকিতে রয়েছে।

তবে আপাতত বৈশ্বিক চায়ের বাজারে সরবরাহ ঘাটতি নেই। উত্তর ভারত ও বাংলাদেশে উৎপাদন বাড়ায় বাজারে পর্যাপ্ত চা রয়েছে। আবহাওয়াজনিত কারণে উৎপাদন কমার আশঙ্কা থাকলেও দুর্বল চাহিদার কারণে বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে কলম্বো ও কলকাতার নিলামে চায়ের দাম ১ শতাংশ কমেছে। বিশ্বব্যাংকের পূর্বাভাস, ২০২৭ সালে চায়ের দাম ৪ শতাংশ এবং ২০২৮ সালে আরো ২ শতাংশ বাড়তে পারে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যে চায়ের চাহিদা বাড়লে দামের ওপর তার প্রভাব পড়বে।

সংকট বাড়লে তেলের দাম ১০৫ ডলার ছাড়াতে পারে
বিশ্ববাজারে পণ্যের দাম নিয়ে বিশ্বব্যাংকের মূল পূর্বাভাসে ২০২৭ সালে সামগ্রিকভাবে ৭ শতাংশ দরপতনের সম্ভাবনা দেখানো হলেও ঝুঁকি পুরোপুরি কাটছে না। বরং ভূরাজনৈতিক সংঘাত ও বৈরী আবহাওয়ার পরিস্থিতি একসঙ্গে তীব্র হলে পূর্বাভাসের চেয়েও বড় সংকট তৈরি হতে পারে। জ্বালানির উচ্চমূল্য, কৃষ্ণসাগরে শস্যবাহী জাহাজে হামলা এবং অত্যন্ত শক্তিশালী এল নিনো - এই তিনটি পরিস্থিতি একসঙ্গে দেখা দিলে ২০২৭ সালে ব্রেন্ট তেলের গড় দাম প্রতি ব্যারেল ১০৫ ডলারে পৌঁছাতে পারে। একই পরিস্থিতিতে খাদ্যপণ্যের দাম মূল পূর্বাভাসের চেয়ে ১২ শতাংশ বেশি হতে পারে এবং শস্যের দাম বাড়তে পারে ২০ শতাংশ। এমনকি খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের উচ্চতাকেও ছাড়িয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এ ছাড়া ২০২৬ সালে ধাতুর দাম সামগ্রিকভাবে ২৫ শতাংশ বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। অ্যালুমিনিয়াম, তামা ও টিনের দাম ইতোমধ্যে রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে। নবায়নযোগ্য জ্বালানি, বৈদ্যুতিক গাড়ি ও তথ্যকেন্দ্রে বিনিয়োগ বাড়ায় এসব ধাতুর চাহিদা বৃদ্ধি এবং সরবরাহব্যবস্থায় বিঘ্ন এর অন্যতম কারণ। ২০২৭ সালে ধাতুর দাম ৩ শতাংশ কমতে পারে। অন্যদিকে ভূরাজনৈতিক ও নীতিগত অনিশ্চয়তার কারণে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে মূল্যবান ধাতুর চাহিদা বেড়ে ২০২৬ সালে সেগুলোর দাম ৪০ শতাংশ বাড়তে পারে। পরের বছর কিছুটা কমলেও ২০১৫ থেকে ২০১৯ সালের গড় দামের তুলনায় তা তিন গুণের বেশি থাকার পূর্বাভাস রয়েছে।

বিশ্বব্যাংকের উপপ্রধান অর্থনীতিবিদ ও প্রসপেক্টস গ্রুপের পরিচালক আয়হান কোসে বলেছেন, পণ্যের বাজার একই সময়ে কয়েকটি বড় ধাক্কার মুখে পড়েছে। জ্বালানির বাড়তি ব্যয় ও বাণিজ্যিক বাধার কারণে বিভিন্ন পণ্যের দাম বাড়ছে। এতে মূল্যস্ফীতি, খাদ্যনিরাপত্তাহীনতা এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি আরো ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। তাঁর মতে, সবচেয়ে দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে সুরক্ষা দেওয়া এবং ঋণের চাপে থাকা নিম্ন আয়ের দেশগুলোকে সহায়তা করাই এখন প্রধান অগ্রাধিকার হওয়া উচিত।

এ ধরনের সংকট মোকাবিলায় বিশ্বব্যাংক গ্রুপ বিদ্যমান বিভিন্ন ব্যবস্থার আওতায় ৫০ থেকে ৬০ বিলিয়ন ডলার সহায়তা দেওয়ার প্রস্তুতি রেখেছে। এর মধ্যে ২৫ বিলিয়ন ডলার আগাম অর্থায়ন হিসেবে নির্ধারিত রয়েছে। এই অর্থ ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীর সামাজিক সুরক্ষা, সরকারের আর্থিক সক্ষমতা ধরে রাখা এবং ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও খামারগুলোর চলতি মূলধনের জোগান নিশ্চিত করতে কাজে লাগানো যেতে পারে।

বাংলাদেশের জন্য বিশ্ববাজারের এই পূর্বাভাস তাই কেবল আমদানি ব্যয়ের হিসাব নয়; এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয়, কৃষি উৎপাদনের খরচ এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার প্রশ্ন। আন্তর্জাতিক বাজারে খাদ্য ও জ্বালানির দাম বাড়লে তার প্রভাব কতটা দেশের ভোক্তাদের ওপর পড়বে, তা অনেকাংশে নির্ভর করবে আমদানি ব্যবস্থাপনা, বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার, বাজার তদারকি এবং সরকারি নীতির ওপর। বিশেষ করে খাদ্যশস্য, ভোজ্যতেল, জ্বালানি ও সারের আমদানি ব্যয় নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং সরবরাহব্যবস্থায় অপ্রয়োজনীয় ব্যয় ও অনিয়ম ঠেকানো গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। বিশ্ববাজারের অস্থিরতা দীর্ঘায়িত হলে দেশের বাজারে নতুন করে মূল্যস্ফীতির চাপ তৈরি হওয়ার ঝুঁকিও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
সানা/আপ্র/৬/১১/২০২৬

 

সংশ্লিষ্ট খবর

বিমানের তেলের দাম আবার বাড়লো, চার মাসে চার দফা
০৫ নভেম্বর ২০২৬

বিমানের তেলের দাম আবার বাড়লো, চার মাসে চার দফা

দেশে আবারও উড়োজাহাজের জ্বালানি জেট ফুয়েলের দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।...

দেশের মোট রিজার্ভ ৩৬.৩৮ বিলিয়ন ডলার
০৫ নভেম্বর ২০২৬

দেশের মোট রিজার্ভ ৩৬.৩৮ বিলিয়ন ডলার

দেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ এখন ৩৬ হাজার ৩৮৩ দশমিক ৬৬ মিলিয়ন বা ৩৬ দশমিক ৩৮ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়ি...

খেলাপি সিটি গ্রুপকে ৩ হাজার কোটি টাকা ঋণ দিচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক
০৪ নভেম্বর ২০২৬

খেলাপি সিটি গ্রুপকে ৩ হাজার কোটি টাকা ঋণ দিচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক

প্রায় ২৬ হাজার কোটি টাকা ঋণখেলাপির দায়ে থাকা দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পগোষ্ঠী সিটি গ্রুপকে নতুন করে ৩...

নিয়ন্ত্রণহীন এলপিজির বাজার, দামের লাগাম বিইআরসির হাতে
০৪ নভেম্বর ২০২৬

নিয়ন্ত্রণহীন এলপিজির বাজার, দামের লাগাম বিইআরসির হাতে

১২ কেজির সিলিন্ডারে নির্ধারিত দামের চেয়ে ৪০০-৫০০ টাকা বেশি আদায়: চাপে পরিবার ও ক্ষুদ্র ব্যবসা

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

রাস্তায় যারা এখন আন্দোলন করছে তাদের সঙ্গে শ্রমিকদের কোনো সম্পর্ক নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, রাস্তায় যারা এখন আন্দোলন করছে তাদের সঙ্গে শ্রমিকদের কোনো সম্পর্ক নেই। রাজনৈতিক হীন উদ্দেশ্য চরিতার্থ করার জন্য একটি মহল অপচেষ্টা করছে। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সচিবালয়ে চিংড়ি মহাল ব্যবস্থাপনা বিষয়ক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় যোগ দিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। প্রিয় পাঠক, আপনি মন্ত্রীর এই বক্তব্যকে সঠিক মনে করেন?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 2 দিন আগে