ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্কের যে টানাপোড়েন চলছে, তা নিরসনে দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করবে বলে আশা প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। একই সঙ্গে শেখ হাসিনার ভবিষ্যৎ নিয়ে ওয়াশিংটনের কোনো আনুষ্ঠানিক অবস্থান নেই বলে জানিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা।
নিউইয়র্কের ফরেন প্রেস সেন্টারে বুধবার আয়োজিত ‘স্থিতিশীল, উন্নত ও সার্বভৌম দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ে মার্কিন নীতি’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন ওই কর্মকর্তা। এতে বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল ও শ্রীলঙ্কার সাংবাদিকেরা উপস্থিত ছিলেন।
শেখ হাসিনা আগামী ডিসেম্বরে বাংলাদেশে ফিরবেন—এমন তথ্যের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান জানতে চাইলে ওই কর্মকর্তা বলেন, এ নিয়ে ওয়াশিংটনের কোনো আনুষ্ঠানিক অবস্থান নেই।
তিনি বলেন, শেখ হাসিনাকে ঘিরে সৃষ্ট পরিস্থিতি বাংলাদেশ ও ভারতের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে ক্ষতিগ্রস্ত করছে বলে যুক্তরাষ্ট্র অবগত। তাই দুই দেশ আলোচনার মাধ্যমে একসঙ্গে কাজ করে বিষয়টির সমাধান করবে বলে আশা করে ওয়াশিংটন।
শেখ হাসিনার ভবিষ্যৎ কী হবে, সে বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কিছু বলার নেই উল্লেখ করে মার্কিন কর্মকর্তা জানান, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সুসম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত হোক, সেটিই যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যাশা।
সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের সম্ভাবনা নিয়েও প্রশ্ন করা হয়। জবাবে ওই কর্মকর্তা বলেন, এটি সম্পূর্ণ বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়। এ ব্যাপারে বাংলাদেশ সরকারই সিদ্ধান্ত নেবে।
বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান সম্পর্কের বিষয়েও কথা বলেন তিনি। মার্কিন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, দুই দেশের সম্পর্ক বর্তমানে অত্যন্ত শক্তিশালী।
তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ কোনো রাজনৈতিক বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র মন্তব্য করবে না। তবে বিএনপির সঙ্গে ওয়াশিংটনের সম্পর্ক খুবই ভালো বলে উল্লেখ করেন তিনি।
সূত্র: ইউএনবি।
এসি/আপ্র/২৬/৯/২০২৬