গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

মেনু

ব্যয় সংকটে বিবিসিতে ২১ হাজার ৫০০ কর্মী ছাঁটাই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ১১:১০ পিএম, ১৬ এপ্রিল ২০২৬ | আপডেট: ০৬:২৩ এএম ২০২৬
ব্যয় সংকটে বিবিসিতে ২১ হাজার ৫০০ কর্মী ছাঁটাই
ছবি

ছবি সংগৃহীত

যুক্তরাজ্যের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম ব্রিটিশ ব্রডকাস্টিং কর্পোরেশন ২১ হাজার ৫০০ কর্মী ছাঁটাইয়ের ঘোষণা দিয়েছে, যা মোট কর্মীবাহিনীর প্রায় ১০ শতাংশ। সাম্প্রতিক বছরগুলোর মধ্যে এটিই সবচেয়ে বড় আকারের ছাঁটাই, সর্বশেষ এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল ২০১১ সালে।

লন্ডনে সংস্থার কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত অল-স্টাফ বৈঠকে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন অন্তর্বর্তী মহাপরিচালক রদ্রি তালফান ডেভিস। তিনি কর্মীদের উদ্দেশে পাঠানো বার্তায় জানান, সংস্থাটি বর্তমানে তীব্র অর্থনৈতিক চাপে রয়েছে এবং দ্রুত ব্যয়-সংকোচন জরুরি হয়ে পড়েছে।

বিবিসির তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে তাদের বার্ষিক ব্যয় প্রায় ৫০০ কোটি পাউন্ড। আগামী দুই বছরে অন্তত ৫০ কোটি পাউন্ড সাশ্রয়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, যার বড় অংশ বাস্তবায়ন হবে ২০২৭-২৮ অর্থবছরে। ব্যয় ও আয়ের ব্যবধান ক্রমশ বাড়তে থাকায় কর্মী সংখ্যা কমানো অনিবার্য হয়ে উঠেছে বলে জানানো হয়েছে।

এর আগে ফেব্রুয়ারিতেই বাজেট সংকোচনের আভাস দিয়ে কর্তৃপক্ষ ৬০ কোটি পাউন্ড সাশ্রয়ের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিল। তৎকালীন মহাপরিচালক টিম ডেভি সে সময় ১০ শতাংশ কর্মী ছাঁটাইয়ের সম্ভাবনার কথাও উল্লেখ করেন। পরে বিভিন্ন ইস্যুতে বিতর্কের মুখে গত নভেম্বরে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়ে ২ এপ্রিল দায়িত্ব ছাড়েন তিনি।

এদিকে আগামী ১৮ মে নতুন মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন ব্রিটিশ ব্যবসায়ী ম্যাথিউ জন ব্রিটিন। তার দায়িত্ব গ্রহণের আগেই এ ছাঁটাইয়ের ঘোষণা দেওয়া হলো।

কর্মী ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্তে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সংশ্লিষ্ট শ্রমিক সংগঠনগুলো। সম্প্রচার ও বিনোদন খাতের কর্মীদের সংগঠনের নেতারা সতর্ক করে বলেছেন, এত বড় পরিসরের ছাঁটাই শুধু কর্মীদের জন্য অনিশ্চয়তা তৈরি করবে না, বরং বিবিসির সামগ্রিক সংবাদ কার্যক্রমেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

সংগঠনের নেতাদের মতে, জাতীয় এই সংবাদমাধ্যমের সক্ষমতা ধরে রাখতে সরকারের উচিত বরাদ্দ বাড়ানো এবং আর্থিক সহায়তা নিশ্চিত করা।

বিশ্লেষকদের মতে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অস্থিরতা, উৎপাদন ব্যয়ের ঊর্ধ্বগতি এবং লাইসেন্স ফি ও বাণিজ্যিক আয়ের চাপ—সব মিলিয়ে বিবিসির আর্থিক সংকট তীব্র হয়েছে, যার প্রভাব পড়ছে কর্মসংস্থানে।

এসি/আপ্র/১৬/০৪/২০২৬

 

সংশ্লিষ্ট খবর

ভারত-চীন পরস্পর সহযোগিতায় ‘এশীয় শতাব্দী’ গড়ার আহ্বান
৩০ জুন ২০২৬

ভারত-চীন পরস্পর সহযোগিতায় ‘এশীয় শতাব্দী’ গড়ার আহ্বান

বিশ্ব রাজনীতি ও অর্থনীতির ক্ষমতার ভারসাম্য ক্রমেই এশিয়ার দিকে ঝুঁকছে। এমন বাস্তবতায় বিশ্বের দুই বৃহত...

বাংলাদেশ নিয়ে মন্তব্যে ইসকন মুখপাত্র বহিষ্কার
২৯ জুন ২০২৬

বাংলাদেশ নিয়ে মন্তব্যে ইসকন মুখপাত্র বহিষ্কার

বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দুদের পরিস্থিতি নিয়ে মন্তব্য এবং সংগঠনের অবস্থানের বাইরে গিয়ে একাধিক বিষয়ে প...

কেরালাকে পেছনে ফেলে নারিকেল রাজধানী কর্ণাটক
২৯ জুন ২০২৬

কেরালাকে পেছনে ফেলে নারিকেল রাজধানী কর্ণাটক

মশলাদার কারি, চাটনি কিংবা ডাবের পানি-ভারতীয় খাদ্যসংস্কৃতির সঙ্গে নারিকেল দীর্ঘদিন ধরেই গভীরভাবে জড়িত...

ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে প্রায় ১ হাজার ৫০০ মরদেহ উদ্ধার, নিখোঁজ ৫০ হাজার
২৯ জুন ২০২৬

ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে প্রায় ১ হাজার ৫০০ মরদেহ উদ্ধার, নিখোঁজ ৫০ হাজার

ভেনেজুয়েলার বিধ্বংসী জোড়া ভূমিকম্পের পর চার দিনে ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাস, এবং লা গুয়াইরাসহ বিভিন...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

ট্রাইব্যুনাল আইন নিয়ে রিট বিতর্ক ও হেয় প্রতিপন্ন করার প্রচেষ্টা

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম বলেছেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনালস) আইন, ১৯৭৩-এর সাংবিধানিক বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে দায়ের করা রিট আবেদনটি ট্রাইব্যুনালকে বিতর্কিত ও হেয় প্রতিপন্ন করার একটি প্রচেষ্টা। আপনি কি মনে করেন চিফ প্রসিকিউটরের মন্তব্য সঠিক?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 1 দিন আগে