গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মেনু

বইপত্র===

আধুনিক মালয়েশিয়াকে জানতে চার বই

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রকাশিত: ২০:৫৮ পিএম, ০৩ জুলাই ২০২৬ | আপডেট: ১৬:২৩ এএম ২০২৬
আধুনিক মালয়েশিয়াকে জানতে চার বই
ছবি

ছবি সংগৃহীত

মালয়েশিয়াকে নিয়ে লেখা ইংরেজি ভাষার অনেক জনপ্রিয় বই আছে। তবে সেসব বইয়ে ঘুরেফিরে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ও জাপানি দখলদারির গল্প আসে। কিন্তু আজকের মালয়েশিয়াকে বুঝতে চাইলে অতীতের গল্পে পড়ে থাকলে চলবে না। দেশটির সমাজ, রাজনীতি, সংস্কৃতি ও মানুষের জীবন অনেক বদলে গেছে। সেই পরিবর্তনের গল্পও উঠে এসেছে সমসাময়িক লেখকদের বইয়ে।

মালয়েশিয়াকে ভিন্ন ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে দেখার সুযোগ দেয়, এমন চারটি বই হলো-

প্রীতা সমারাসানের ‘এভরিথিং ইজ দ্য হোল ডে’: একটি পরিবারের গল্প দিয়ে শুরু হলেও এই উপন্যাসে আসলে পুরো একটি সমাজের গল্প বলা হয়েছে। ইপোহ শহরের রাজশেখরন পরিবারের সুখ-দুঃখ, সম্পর্কের টানাপোড়েন, কষ্ট ও নিঃসঙ্গতার মধ্য দিয়ে লেখক মালয়েশিয়ার বাস্তব চিত্র তুলে ধরেছেন। নির্বাচনের পরের অস্থিরতা, জাতিগত টানাপোড়েন, সামাজিক পরিবর্তন—সবকিছুই গল্পের ভেতরে মিশে গেছে। ফলে বইটি কেবল একটি পরিবারের কাহিনি নয়; বরং একটি দেশের পরিবর্তনের গল্প।

রেহমান রশিদের ‘এ মালয়েশিয়ান জার্নি’: মালয়েশিয়াকে বুঝতে চাইলে এ বইটি দারুণ সঙ্গী হতে পারে। সাংবাদিক রেহমান রশিদ নিজের অভিজ্ঞতা, দেশের ইতিহাস এবং রাজনৈতিক ঘটনাগুলোকে একসঙ্গে তুলে ধরেছেন এই বইয়ে। মালাক্কার প্রাচীন সুলতানি যুগ থেকে আধুনিক মালয়েশিয়া পর্যন্ত দীর্ঘ পথ চলার গল্প আছে এখানে। লেখক দেখিয়েছেন—নানা জাতি, ভাষা ও সংস্কৃতির মানুষ কীভাবে একসঙ্গে একটি দেশ গড়ে তুলেছে। আবার সেই সম্পর্কের মধ্যেই কী ধরনের চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে। লেখক তুলে ধরেন আধুনিক মালয়েশিয়ার ব্যস্ত শহুরে জীবন, ক্ষমতাবানদের প্রভাব এবং সাধারণ মানুষের সংগ্রাম।

ব্রায়ান গোমেজের ‘ডেভিলস প্লেস’: রহস্য আর রোমাঞ্চ পছন্দ হলে এই বই আপনার ভালো লাগবে। গল্পের কেন্দ্র কুয়ালালামপুর শহর। একটি হত্যাকাণ্ডকে ঘিরে এগিয়ে চলে কাহিনি। এর সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে রাজনীতি, ক্ষমতা ও দুর্নীতির নানা স্তর। তবে বইটির সবচেয়ে বড় শক্তি হলো বাস্তবতা। লেখক কোনো সাজানো ছবি দেখান না। তিনি তুলে ধরেন আধুনিক মালয়েশিয়ার ব্যস্ত শহুরে জীবন, ক্ষমতাবানদের প্রভাব এবং সাধারণ মানুষের সংগ্রাম। এটি কোনো ইতিহাসের বই নয়; বরং এখানে আছে মানুষের ভেতরের শক্তিকে খুঁজে পাওয়ার গল্প। এ কারণে বইটি বিশ্বজুড়ে পাঠকদের মন জয় করেছে।

ট্যান টোয়ান ইংয়ের ‘দ্য গার্ডেন অব ইভিনিং মিস্টস’: এ বইটি যেন এক সুন্দর চিত্রকর্ম। কুয়াশায় ঢাকা পাহাড়, সবুজ চা-বাগান, জাপানি বাগানের সৌন্দর্য- সব মিলিয়ে এক মায়াময় পরিবেশ তৈরি করেছেন লেখক। গল্পের দুই প্রধান চরিত্র ইউন লিং ও আরিতোমো। তাদের জীবন, স্মৃতি, হারানোর বেদনা এবং অতীতের ক্ষতকে ঘিরে এগিয়ে যায় কাহিনি। গল্পে জাপানি বাগান, উল্কিচিত্র ও শিল্পকলার নানা দিক উঠে এসেছে। তবে এটি কোনো ইতিহাসের বই নয়; বরং এখানে আছে মানুষের ভেতরের শক্তিকে খুঁজে পাওয়ার গল্প। এ কারণে বইটি বিশ্বজুড়ে পাঠকদের মন জয় করেছে। সূত্র: ওয়ার্ল্ড লিটারেচার টুডে।

কেএমএএ/আপ্র/০৩.০৭.২০২৬

সংশ্লিষ্ট খবর

বিশ্ব সাহিত্যেও পৌঁছেছে জসীম উদ্দীনের গ্রামীণ চিরন্তন ও শাশ্বত রূপ
১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বিশ্ব সাহিত্যেও পৌঁছেছে জসীম উদ্দীনের গ্রামীণ চিরন্তন ও শাশ্বত রূপ

জসীম উদ্দীন বাংলা সাহিত্যের এমন এক বিরল ও অনন্য প্রতিভা- যিনি মাটির সোঁদাগন্ধে জড়ানো লোকজ আখ্যানকে...

আসমানী ঝড়ের উপাখ্যান
১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আসমানী ঝড়ের উপাখ্যান

গল্প===

একগুচ্ছ কবিতা
১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

একগুচ্ছ কবিতা

তোমাকে পাইনি বলেআতিকুর ফরায়েজীতোমাকে পাইনি বলেপৃথিবী থেমে যায়নি,নদীগুলো যথারীতি সাগরের দিকে যায়,শালি...

শ্রীকৃষ্ণের জন্মদিনে শুনি ধর্মবাণী
০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

শ্রীকৃষ্ণের জন্মদিনে শুনি ধর্মবাণী

কবিতা--------------

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

কোনো সক্রিয় জরিপ নেই