গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬

মেনু

পুলিশ কর্মকর্তাদের টার্গেট করে অপপ্রচারের অভিযোগ অ্যাসোসিয়েশনের

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২০:২৩ পিএম, ০১ জুলাই ২০২৬ | আপডেট: ২১:১৬ এএম ২০২৬
পুলিশ কর্মকর্তাদের টার্গেট করে অপপ্রচারের অভিযোগ অ্যাসোসিয়েশনের
ছবি

বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন লোগো

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা, মানহানিকর ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর অভিযোগ করেছে বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন। সংগঠনটির দাবি, একটি চক্র পরিকল্পিতভাবে পুলিশ বাহিনীর মনোবল ও কার্যকারিতা দুর্বল করার চেষ্টা করছে। যার লক্ষ্য রাষ্ট্রের নিরাপত্তাব্যবস্থাকে অস্থিতিশীল করা। বুধবার (১ জুলাই) বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার শামীমা পারভীনের সই করা এক বিবৃতিতে এ অভিযোগ করা হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের সুবিধাভোগী একটি অংশ এবং একটি চক্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিত্তিহীন ও মনগড়া পোস্ট তৈরি করে পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। এসব পোস্ট, সংবাদ ও তথ্যকে মিথ্যা, মানহানিকর এবং বিভ্রান্তিকর বলে উল্লেখ করেছে সংগঠনটি।

বিবৃতিতে আরো বলা হয়, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, জনসেবা বাড়ানো এবং বাহিনীর পেশাদারত্ব জোরদারে পুলিশ নতুন উদ্যমে কাজ করছে। এ অবস্থায় কিছু গোষ্ঠী পুলিশের কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত করতে পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে দাবি করা হয় বিবৃতিতে। এতে বলা হয়, পুলিশের যেসব কর্মকর্তা অপরাধ ও অনিয়ম দমনে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন, তারাই অপপ্রচারের বেশি শিকার হচ্ছেন। কিছু অসাধু সাংবাদিকও এ ধরনের কাজে যুক্ত বলে অভিযোগ করেছে পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন।

বিবৃতিতে বলা হয়, অপপ্রচারকারী চক্রটি সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও ভুয়া তথ্যসম্বলিত পোস্ট তৈরি করে তা একযোগে বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপ, পেজ এবং অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দ্রুত ভাইরাল করার চেষ্টা করছে।

সংগঠনটির দাবি, এ ধরনের প্রচার কেবল ব্যক্তিগত সম্মানহানির উদ্দেশ্যে নয়, বরং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কার্যকারিতা দুর্বল করে রাষ্ট্রের নিরাপত্তাব্যবস্থাকে অস্থিতিশীল করার একটি গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ।

বিবৃতিতে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার নামে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচারকে অগ্রহণযোগ্য উল্লেখ করে বলা হয়, এ ধরনের কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে পুলিশসহ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার কঠোর নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পুলিশকে নিয়ে অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে। একই সঙ্গে সংগঠনটি বলেছে, বিভ্রান্তি রুখে দিয়ে দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ সদস্যরা পেশাদারত্বের সঙ্গে আইন প্রয়োগে আরো কঠোর ও দৃঢ় পদক্ষেপ নেবেন। তবে বিবৃতিতে কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি, ফেসবুক পেজ, গোষ্ঠী বা পোস্টের নাম উল্লেখ করা হয়নি।

সানা/কেএমএএ/আপ্র/১/৭/২০২৬

সংশ্লিষ্ট খবর

পূর্বাচলে নিরাপত্তা জোরদারে বরকাউ পুলিশ ক্যাম্প
০১ জুলাই ২০২৬

পূর্বাচলে নিরাপত্তা জোরদারে বরকাউ পুলিশ ক্যাম্প

রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) পরিচালিত পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরো শক্তিশ...

হত্যা মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হকের জামিন, কারামুক্তিতে বাধা নেই
৩০ জুন ২০২৬

হত্যা মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হকের জামিন, কারামুক্তিতে বাধা নেই

চব্বিশে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে যাত্রাবাড়ীতে খোবাইব নামে একজনকে হত্যার অভিযোগের মামলায় সা...

হাসানুল হক ইনুর দশ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড
০১ জুলাই ২০২৬

হাসানুল হক ইনুর দশ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড

মানবতাবিরোধী মামলায় আট অভিযোগের তিনটিতে দোষী সাব্যস্ত

‘হাত ধরবেন না’- এজলাসে তোলার সময় পুলিশকে ইনু
৩০ জুন ২০২৬

‘হাত ধরবেন না’- এজলাসে তোলার সময় পুলিশকে ইনু

জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে কুষ্টিয়ায় ছয়জনকে হত্যাসহ আট অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জাতীয়...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

ধর্ষণ মামলার সংখ্যা বৃদ্ধির কারণ জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, দেশে ধর্ষণের মামলা কিছুটা বেড়েছে বলে যে পরিসংখ্যান দেখা যাচ্ছে, তার অন্যতম কারণ হলো এখন ভুক্তভোগীরা সহজেই মামলা করতে পারছেন। আগে সামাজিক ও রাজনৈতিক বিভিন্ন হস্তক্ষেপের কারণে অনেক ভুক্তভোগী থানায় গিয়ে মামলা করতে পারতেন না বা করতে চাইতেন না। আপনি কি মনে করেন মন্ত্রীর এই বক্তব্য সঠিক?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 10 ঘন্টা আগে