গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬

মেনু

নতুন নোটের বান্ডেল বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৬০০ টাকায়

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২০:৪৬ পিএম, ১৮ মার্চ ২০২৬ | আপডেট: ১১:২২ এএম ২০২৬
নতুন নোটের বান্ডেল বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৬০০ টাকায়
ছবি

রাজধানীর গুলিস্তান স্পোর্টস মার্কেট-সংলগ্ন ফুটপাত ঘুরে দেখা গেছে, সারি সারি অস্থায়ী দোকানে সাজানো রয়েছে বিভিন্ন মূল্যমানের নতুন নোটের বান্ডেল -ছবি সংগৃহীত

পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে প্রতি বছরের মতো এবারও কদর বেড়েছে নতুন নোটের। তবে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকার সুযোগ নিচ্ছেন একশ্রেণির মৌসুমি ব্যবসায়ী। রাজধানীর খোলা বাজারে নতুন নোট কিনতে গিয়ে ক্রেতাদের গুনতে হচ্ছে বড় অঙ্কের অতিরিক্ত টাকা। আইনত দণ্ডনীয় হলেও রাজধানীর বিভিন্ন পয়েন্টে প্রকাশ্যেই চলছে নতুন টাকার এই কেনাবেচা।

বুধবার (১৮ মার্চ) রাজধানীর গুলিস্তান স্পোর্টস মার্কেট-সংলগ্ন ফুটপাত ঘুরে দেখা গেছে, সারি সারি অস্থায়ী দোকানে সাজানো রয়েছে বিভিন্ন মূল্যমানের নতুন নোটের বান্ডেল।

দুই টাকা থেকে শুরু করে এক হাজার টাকা– সব নোটই মিলছে এখানে। তবে প্রতিটি বান্ডেলের জন্য দিতে হচ্ছে বাড়তি চড়া দাম।চড়া মূল্যে বিকোচ্ছে ছোট নোটবাজারে এখন সবচেয়ে বেশি চাহিদা ৫, ১০ ও ২০ টাকার নতুন নোটের। পাশাপাশি ২, ৫০ ও ১০০ টাকার নতুন নকশার নোটও বিক্রি হচ্ছে। তবে নতুন নকশার নোটগুলোর ক্ষেত্রে বাড়তি টাকার পরিমাণ আরো বেশি।

বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রতি বান্ডেলে ১০০টি নোট থাকে। কেউ বান্ডেল নিতে না চাইলে তিনি ১ হাজার বা তার মন মতো করেও নতুন টাকার নোট নিতে পারেন। এক্ষেত্রেও বাড়তি টাকা দিতে হবে।


২ টাকার নতুন বান্ডেলে ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা, ৫ টাকার বান্ডেলে ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা, ১০ টাকার বান্ডেলে ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা, ২০ টাকার বান্ডেলে ৪৫০ থেকে ৫৫০ টাকা এবং ৫০ টাকার বান্ডেল ৫০০ থেকে ৬০০ অতিরিক্ত নেয়া হচ্ছে। ১০০ টাকার বান্ডেলেও অতিরিক্ত দিতে হচ্ছে ৬০০ টাকা।

এ ছাড়া ২০০, ৫০০ ও ১ হাজার টাকার নোট কিনতেও ক্রেতাদের দিতে হচ্ছে অতিরিক্ত টাকা।

শাহেদ মিয়া নামের এক বিক্রেতা ঢাকা পোস্টকে বলেন, ‘ব্যাংক বন্ধ থাকায় গতকাল থেকে ক্রেতা বেশি আসছে। তবে বিক্রি এখনো আশানুরূপ নয়।’

বান্ডেলপ্রতি অতিরিক্ত দাম নেওয়ার বিষয়ে তিনি জানান, তাদেরও চড়া মূল্যে এসব নোট সংগ্রহ করতে হয়। লাভ না করলে ঈদের খরচ চালানো সম্ভব নয় বলে তার দাবি।

এবার সাধারণ মানুষের জন্য কেন্দ্রীয়ভাবে নতুন নোট ছাড়েনি বাংলাদেশ ব্যাংক। ফলে সাধারণ মানুষ ব্যাংক থেকে নতুন নোট সংগ্রহ করতে না পেরে ভিড় করছেন ফুটপাতের এই অস্থায়ী বাজারগুলোতে। আজিজ নামের এক ক্রেতা জানান, ছোট ভাই ও ভাতিজাদের সালামি দেওয়ার জন্য তিনি ২ হাজার টাকার নতুন নোট কিনেছেন। দাম বেশি হলেও শখের বশে বাধ্য হয়েই তা কিনতে হয়েছে।

আরেক ক্রেতা বাবলু হোসেন আক্ষেপ করে বলেন, ‘ব্যাংকে গেলে নতুন নোট পাওয়া যায় না, আবার কাঙ্ক্ষিত নোটের বান্ডেলও মেলে না। তাই বাধ্য হয়েই বাড়তি টাকা দিয়ে এখান থেকে কিনতে হচ্ছে।’
সানা/আপ্র/১৮/৩/২০২৬
 

সংশ্লিষ্ট খবর

দেশে পর্যাপ্ত জ্বালানি তেলের মজুত রয়েছে: তথ্যমন্ত্রী
১৯ মে ২০২৬

দেশে পর্যাপ্ত জ্বালানি তেলের মজুত রয়েছে: তথ্যমন্ত্রী

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, বর্তমানে দেশে পর্যাপ্ত জ্বালানি তেলের মজুত রয়েছে।...

পে স্কেলে সর্বনিম্ন বেতন ২০ হাজার টাকার প্রস্তাব!
১৯ মে ২০২৬

পে স্কেলে সর্বনিম্ন বেতন ২০ হাজার টাকার প্রস্তাব!

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নবম জাতীয় পে স্কেল বাস্তবায়নের প্রস্তুতি শুরু করেছে সরকার। পরিকল্প...

তিন ধরনের নতুন নোট ছাড়লো বাংলাদেশ ব্যাংক
১৯ মে ২০২৬

তিন ধরনের নতুন নোট ছাড়লো বাংলাদেশ ব্যাংক

বাংলাদেশের ঐতিহাসিক এবং প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপত্য’ শীর্ষক ১০০০, ৫০০ ও ১০ টাকা মূল্যমানের নতুন ব্যাংক...

গ্রামীণ ব্যাংকের সুদহার কেন স্বাভাবিক ব্যাংকের মতো নয়, প্রশ্ন হাই কোর্টের
১৮ মে ২০২৬

গ্রামীণ ব্যাংকের সুদহার কেন স্বাভাবিক ব্যাংকের মতো নয়, প্রশ্ন হাই কোর্টের

গ্রামীণ ব্যাংকের ক্ষুদ্রঋণের সুদের হার কেন দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর সুদের হারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূ...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

গ্রামীণ ব্যাংকের উচ্চ সুদহার নিয়ে ব্যাখ্যা চেয়ে হাইকোর্টের রুল জারি

গ্রামীণ ব্যাংকের ক্ষুদ্রঋণের সুদের হার কেন দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর সুদের হারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাই কোর্ট। আপনি কি মনে করেন- গ্রামীণ ব্যাংক সবচেয়ে চড়া সুদ আদায় করে?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 14 ঘন্টা আগে