গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬

মেনু

লন্ডনের স্কুলে ভিআর প্রযুক্তিতে মানসিক প্রশান্তি

প্রযুক্তি ডেস্ক

প্রযুক্তি ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৭:৫৯ পিএম, ০৫ মে ২০২৬ | আপডেট: ২২:২০ এএম ২০২৬
লন্ডনের স্কুলে ভিআর প্রযুক্তিতে মানসিক প্রশান্তি
ছবি

লন্ডনের স্কুলগুলোতে পরীক্ষামূলকভাবে ভার্চুয়াল রিয়ালিটি বা ভিআর প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে

পরীক্ষা ও পারিবারিক চাপসহ নানা কারণে শিক্ষার্থীদের মানসিক অস্থিরতা কমাতে যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনের স্কুলগুলোতে পরীক্ষামূলকভাবে ভার্চুয়াল রিয়ালিটি বা ভিআর প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের দুশ্চিন্তা কমানো এবং মনোযোগ বৃদ্ধি করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, লন্ডনের সাটন বরোর ১৫টি মাধ্যমিক স্কুলে স্থানীয় জাতীয় স্বাস্থ্য সেবার মানসিক স্বাস্থ্য ট্রাস্টের সহযোগিতায় ‘ফেইজ স্পেস’ নামের একটি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের তৈরি ভিআর হেডসেট ব্যবহার করা হচ্ছে।

এই প্রোগ্রামের আওতায় শিক্ষার্থীরা ক্লাসের আগে বা ক্লাস চলাকালে নির্ধারিত সময়ে মাত্র সাত মিনিট ভিআর অভিজ্ঞতা গ্রহণ করতে পারে। এতে তারা একটি ভার্চুয়াল পরিবেশে প্রবেশ করে মানসিকভাবে শান্ত হওয়ার সুযোগ পায়, যা তাদের পড়াশোনায় মনোযোগ ফেরাতে সাহায্য করে।

প্রকল্পটির সহ-উদ্যোক্তা ও প্রাক্তন বিবিসি ভিআর বিভাগের প্রধান জিলা ওয়াটসন বলেন, অতিরিক্ত চাপ ও দুশ্চিন্তায় ভোগা শিক্ষার্থীদের সহায়তার জন্য এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তার ভাষায়, প্রথম পর্যায়ের পরীক্ষায় ১০ জনের মধ্যে ৯ জন শিক্ষার্থীর তাৎক্ষণিক মানসিক চাপ হ্রাস পেয়েছে।

নর্থ লন্ডনের আর্ক একাডেমি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভাইস-প্রিন্সিপাল এলিশা নিডহ্যাম জানান, বিশেষ করে সকালবেলায় মানসিক অস্থিরতায় ভোগা শিক্ষার্থীদের জন্য এই প্রযুক্তি কার্যকর হচ্ছে। তিনি বলেন, আগে অস্থির শিক্ষার্থীদের ক্লাস থেকে সরিয়ে নিতে হতো, এখন তারা নিজেরাই এই প্রোগ্রাম ব্যবহারের অনুরোধ করছে, যা একটি ইতিবাচক পরিবর্তন।

শিক্ষকদের মতে, এ প্রযুক্তির কারণে ক্লাসে বিঘ্ন কমেছে এবং শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ও আচরণে উন্নতি দেখা যাচ্ছে। পরীক্ষার চাপ বা ব্যক্তিগত সমস্যাজনিত উদ্বেগও অনেকাংশে হ্রাস পেয়েছে।

১৬ বছর বয়সী শিক্ষার্থী লোরা উইলসন জানান, ভিআর ব্যবহারের সময় একটি শান্ত ও অন্ধকার পরিবেশ থেকে ধীরে ধীরে আলোয় ভরা এক ভিন্ন জগতে প্রবেশের অনুভূতি হয়, যা তাকে গভীরভাবে প্রশান্ত করে। তার মতে, এটি মানসিক স্থিরতা ফিরিয়ে আনতে সহায়তা করে।

গবেষণা ও স্কুল পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, এই প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে শিক্ষার্থীদের আত্মনিয়ন্ত্রণ, মনোযোগ এবং মানসিক স্থিতিশীলতা বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা তাদের সামগ্রিক শিক্ষাজীবনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে।


সানা/ডিসি/আপ্র/৫/৫/২০২৬
 

সংশ্লিষ্ট খবর

এই যুগে সাইবার নিরাপত্তাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ: তথ্যমন্ত্রী
০১ জুলাই ২০২৬

এই যুগে সাইবার নিরাপত্তাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ: তথ্যমন্ত্রী

তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগে সাইবার নিরাপত্তাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্...

গাছের পাতায় মিললো আধুনিক শহর তৈরির গোপন নকশা
৩০ জুন ২০২৬

গাছের পাতায় মিললো আধুনিক শহর তৈরির গোপন নকশা

পড়ার ঘরের টেবিলে কিংবা বারান্দার কোণে রাখা ছোট্ট একটি গাছ। টবের ভেতর গোল গোল সবুজ পাতা নিয়ে চুপচাপ...

‘ঢাকার ১৯ গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে এআই ক্যামেরা, দেড় হাজার মামলা রেকর্ড’
৩০ জুন ২০২৬

‘ঢাকার ১৯ গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে এআই ক্যামেরা, দেড় হাজার মামলা রেকর্ড’

রাজধানীতে বর্তমানে ১৯টি গুরুত্বপূর্ণ ইন্টারসেকশনে এআই-ভিত্তিক ট্রাফিক ক্যামেরা চালু রয়েছে বলে জানিয়ে...

৩২ বছর বয়সে বিশ্বরেকর্ড গড়লো টিয়া স্পুডলস
২৯ জুন ২০২৬

৩২ বছর বয়সে বিশ্বরেকর্ড গড়লো টিয়া স্পুডলস

যুক্তরাষ্ট্রের এক টিয়া পাখি ‘স্পুডলস’ ৩২ বছর ৮৬ দিন বয়সে বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক জীবিত টিয়া পাখি হিসেবে...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

কোনো সক্রিয় জরিপ নেই