কেনিয়ায় কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা ভারি বৃষ্টি ও বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১০৮ জনে দাঁড়িয়েছে, গত শনিবার (২৮ মার্চ) জানিয়েছে দেশটির জাতীয় পুলিশ পরিষেবা।
রয়টার্স জানায়, ৬ মার্চ থেকে শুরু হওয়া আকস্মিক বন্যায় পূর্ব আফ্রিকার দেশটিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, পানির তোড়ে বহু গাড়ি ভেসে গেছে, বিমান ভ্রমণ বিঘ্নিত হয়েছে আর বৈদ্যুতিক অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
শুক্রবার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বন্যার কারণে দেশজুড়ে ২৭০০-র বেশি পরিবার বাস্তুচ্যুত হয়েছে।
দেশটির কিছু এলাকায় বৃষ্টিপাতের তীব্রতা কমে এলেও নিষ্কাশন ব্যবস্থা উপচে ও জলাবদ্ধতা থেকে বন্যা দেখা দেওয়ার ঝুঁকি রয়ে গেছে বলে সতর্ক করেছে পুলিশ।
৬ ও ৭ মার্চ দেশটির রাজধানী নাইরোবিতে রাতভর প্রবল বৃষ্টিপাতে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যায় অন্তত ২৩ জনের মৃত্যু হয়। বন্যার পানির তোড়ে কয়েক ডজন গাড়ি ভেসে যায় আর নাইরোবিতে পূর্ব আফ্রিকার বৃহত্তম বিমানবন্দরে ফ্লাইট চলাচল বিঘ্নিত হয়।
তারপর থেকে পুরো মাসজুড়ে কেনিয়ায় ভারি বৃষ্টি ও বন্যায় মৃত্যুর সংখ্যা বাড়তে শুরু করে। পাশাপাশি বৃষ্টি ও বন্যাজনিত ক্ষয়ক্ষতিও বেড়ে চলে। আবহাওয়া ও পরিবেশ বিজ্ঞানীদের মতে, বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রভাবে পূর্ব আফ্রিকা জুড়ে বন্যা ও খরা পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ হয়ে উঠছে। অল্প সময়ে অতিমাত্রায় বৃষ্টি হওয়ার প্রবণতা বাড়ছে।
২০২৪ সালের ‘ওয়ার্ল্ড ওয়েদার অ্যাট্রিবিউশন’-এর এক গবেষণা অনুযায়ী, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে এই অঞ্চলে বিধ্বংসী বৃষ্টির আশঙ্কা আগের চেয়ে দ্বিগুণ বেড়েছে।
সানা/ডিসি/আপ্র/২৯/৩/২০২৬