গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬

মেনু

ইথিওপিয়ায় ট্রাক দুর্ঘটনায় ২২ অভিবাসনপ্রত্যাশী নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ১২:১৪ পিএম, ০৭ জানুয়ারি ২০২৬ | আপডেট: ১২:২৫ এএম ২০২৬
ইথিওপিয়ায় ট্রাক দুর্ঘটনায় ২২ অভিবাসনপ্রত্যাশী নিহত
ছবি

ছবি সংগৃহীত

ইথিওপিয়ায় একটি কার্গো ট্রাক উল্টে যাওয়ার জেরে নিহত হয়েছেন সেখানে থাকা ২২ জন অভিবাসনপ্রত্যাশী এবং আহত হয়েছেন আরো ৬৫ জন। নিহত ও আহতরা সবাই ইথিওপিয়ার নাগরিক।

গতকাল মঙ্গলবার দেশটির উত্তরাঞ্চলীয় আফার প্রদেশের সিমেরা শহরে এই ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে আফার পুলিশ। এই নাগরিকরা চোরাই পথে অবৈধভাবে প্রতিবেশী দেশ জিবুতির উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন। যে এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটেছে— সেটি জিবুতির সীমান্ত থেকে কয়েক শ’ কিলোমিটার দূরে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট করা এক বার্তায় আফার পুলিশের জনসংযোগ বিভাগের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ট্রাকটিতে শতাধিক নাগরিক ছিলেন। স্থানীয় মানবপাচার দালালদের দ্বারা বিভ্রান্ত হয়েছিলেন তারা এবং এই ভ্রমণরুটের বিপদ সম্পর্কে তাদের কোনো পূর্ব ধারণা ছিল না।

দুর্ঘটনা ঘটার কিছুক্ষণের মধ্যেই সেখানে উদ্ধার তৎপরতা শুরু করেছে আফারের প্রাদেশিক সরকারের বেসামরিক প্রতিরক্ষা বাহিনী। আহতদের সবাইকে নিকটবর্তী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং তাদের চিকিৎসার দায়িত্ব নিয়েছে প্রাদেশিক সরকার। সেই সঙ্গে নিহতদের পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হচ্ছে।

সোমালিয়া, ইথিওপিয়া, ইরিত্রিয়া এবং জিবুতি— পূর্ব আফ্রিকার এই চার দেশকে একত্রে বলা হয় ‘হর্ন অব আফ্রিকা’। ইথিওপিয়া, ইরিত্রিয়া স্থলবেষ্টিত দেশ হলেও সোমালিয়া ও জিবুতি তা নয়। জিবুতির লোহিত সাগরের উপকূল থেকে সাগরপথে ইয়েমেন কিংবা সৌদি আরবে পৌঁছানো সম্ভব।

মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতে যাওয়া ইথিওপিয়ার অভিবাসনপ্রত্যাশীদের একটি বড় অংশের লক্ষ্য। এই লক্ষ্যপূরণে তারা প্রথমে জিবুতিতে যান, সেখান থেকে লোহিত সাগর পাড়ি দিয়ে পৌঁছান ইয়েমেনে, তারপর ইয়েমেন থেকে সৌদি আরব ও উপসাগরীয় অঞ্চলের অন্যান্য দেশের উদ্দেশে রওনা হন তারা।

তবে ইথিওপীয় অভিবাসনপ্রত্যাশীদের জিবুতি যাওয়ার জন্য মানবপাচারকারীরা যে রুট ব্যবহার করে, সেটি বেশ বিপজ্জনক। জাতিসংঘের বৈশ্বিক অভিবাসন বিষয়ক অঙ্গসংস্থা ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর মাইগ্রেশনের (আইওএম) তথ্য অনুসারে, ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এই রুটে প্রাণ হারিয়েছেন ৮৯০ জন। এই পথটিকে বিশ্বের সবচেয়ে ‘বিপদসঙ্কুল রুট’ বলে উল্লেখ করে করেছে।

তবে এত ঝুঁকি সত্ত্বেও অভিবাসনপ্রত্যাশী এবং মানবপাচারকারীদের কাছে এই রুটের ‘জনপ্রিয়তা’ কমছে না। কারণ আইওএম-এর তথ্য বলছে, বর্তমানে এই পথটি বিশ্বের সবচেয়ে ব্যস্ত অভিবাসন রুট।

সূত্র : আলজাজিরা

এসি/আপ্র/০৭/০১/২০২৫

সংশ্লিষ্ট খবর

চার মাস পর খামেনি হত্যার নিন্দা জানালো বাংলাদেশ
০৩ জুলাই ২০২৬

চার মাস পর খামেনি হত্যার নিন্দা জানালো বাংলাদেশ

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যুর চার মাস পর তার হত্যাকাণ্ডের নিন্দা জানিয়েছে বাং...

জাপানে মেয়রের মাতৃত্বকালীন ছুটি ঘিরে তীব্র বিতর্ক
০৩ জুলাই ২০২৬

জাপানে মেয়রের মাতৃত্বকালীন ছুটি ঘিরে তীব্র বিতর্ক

জাপানের পশ্চিমাঞ্চলীয় ইয়াওয়াতা শহরের মেয়র শোকো কাওয়াতার মাতৃত্বকালীন ছুটিতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত দেশজুড়ে...

বাবার শেষবিদায়ে থাকছেন না ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা
০৩ জুলাই ২০২৬

বাবার শেষবিদায়ে থাকছেন না ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা

ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির রাষ্ট্রীয় শেষবিদায়ের আনুষ্ঠানিকতায় উপস্থিত থাকছে...

পাকিস্তানে যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে নিহত ৪০ জন
০৩ জুলাই ২০২৬

পাকিস্তানে যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে নিহত ৪০ জন

পাকিস্তানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় বেলুচিস্তান প্রদেশে যাত্রীবাহী একটি বাস গভীর খাদে পড়ে অন্তত ৪০ জন ন...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

কোনো সক্রিয় জরিপ নেই