গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬

মেনু

নবজাতকদের জন্য ম্যালেরিয়া চিকিৎসার অনুমোদন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার

স্বাস্থ্য ডেস্ক

স্বাস্থ্য ডেস্ক

প্রকাশিত: ১০:২৩ পিএম, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ | আপডেট: ১৪:০১ এএম ২০২৬
নবজাতকদের জন্য ম্যালেরিয়া চিকিৎসার অনুমোদন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার
ছবি

ছবি সংগৃহীত

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা শুক্রবার ঘোষণা করেছে যে, তারা প্রথমবারের মতো নবজাতক ও শিশুদের জন্য একটি ম্যালেরিয়া চিকিৎসাকে অনুমোদন দিয়েছে। আর্টেমেথার-লুমেফ্যান্ট্রিন হলো প্রথম ম্যালেরিয়ারোধী ফর্মুলেশন যা বিশেষভাবে এই মশাবাহিত রোগের সবচেয়ে কম বয়সী শিকার ভুক্তভোগীদের জন্য তৈরি করা হয়েছে। খবর এএফপির।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এক বিবৃতিতে বলেছে, প্রাক-যোগ্যতার এই স্বীকৃতি নির্দেশ করে যে, ওষুধটি গুণমান, সুরক্ষা এবং কার্যকারিতার আন্তর্জাতিক মান পূরণ করেছে।

এখন পর্যন্ত বড়দের জন্য তৈরি ফর্মুলেশন দিয়েই শিশুদেরও চিকিৎসা করা হতো। এতে ওষুধের ডোজের ভুল, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া এবং বিষক্রিয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান তেদ্রোস আধানম গেব্রেয়াসুস বলেছেন, শতাব্দী ধরে ম্যালেরিয়া বাবা-মায়ের কাছ থেকে সন্তানদের এবং সমাজের কাছ থেকে স্বাস্থ্য, সম্পদ ও আশা কেড়ে নিয়েছে।

কিন্তু আজ পরিস্থিতি পাল্টে যাচ্ছে। নতুন টিকা, রোগ নির্ণয় পরীক্ষা এবং সবচেয়ে কমবয়সীদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি ওষুধসহ অন্যান্য কার্যকর ওষধ এই পরিস্থিতি পাল্টে দিতে সাহায্য করছে।

তিনি বলেন, আমাদের জীবদ্দশায় ম্যালেরিয়া নির্মূল করা এখন আর স্বপ্ন নয়... এটি একটি বাস্তব সম্ভাবনা। তবে তা কেবল টেকসই রাজনৈতিক ও আর্থিক অঙ্গীকারের মাধ্যমেই সম্ভব। এখন আমরা তা করতে পারি। এখন আমাদের অবশ্যই করতে হবে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে ৮০টি দেশে আনুমানিক ২৮ কোটি ২০ লাখ ম্যালেরিয়া রোগী শনাক্ত হয় এবং ৬ লাখ ১০ হাজার মানুষের মৃত্যু ঘটে।

মোট রোগী ও মৃত্যুর ৯৫ শতাংশই আফ্রিকায় এবং এই মৃত্যুর তিন-চতুর্থাংশই পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশু। জাতিসংঘের সংস্থাটি জানিয়েছে, ওষুধের প্রতিরোধ ক্ষমতা, কীটনাশকের প্রতিরোধ ক্ষমতা, রোগ নির্ণয়ে ব্যর্থতা এবং বৈদেশিক সাহায্য খাতে ব্যয় ব্যাপকভাবে হ্রাস পাওয়ার কারণে ম্যালেরিয়ার বিরুদ্ধে অগ্রগতি ব্যাহত হচ্ছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, তাদের প্রাক-যোগ্যতা নির্ধারণ প্রক্রিয়াটি সরকারি খাতে পণ্য ক্রয়কে সক্ষম করবে এবং আফ্রিকার ম্যালেরিয়া-প্রবণ এলাকাগুলোতে প্রতি বছর জন্ম নেওয়া প্রায় ৩ কোটি শিশুর জন্য চিকিৎসার দীর্ঘদিনের ঘাটতি পূরণে সহায়তা করবে।

বিশ্বব্যাপী ৭০ শতাংশ দেশে ওষুধ, টিকা, পরীক্ষা এবং চিকিৎসা সরঞ্জাম তদারকি করার মতো যথেষ্ট শক্তিশালী নিয়ন্ত্রক ব্যবস্থা নেই। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রাক-যোগ্যতা নির্ধারণ কর্মসূচি নিশ্চিত করে যে, আন্তর্জাতিক ক্রয়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্য পণ্যগুলো গুণমান, সুরক্ষা, কার্যকারিতা এবং কর্মক্ষমতার বৈশ্বিক মান পূরণ করছে কি না।

এসি/আপ্র/২৫/০৪/২০২৬

 

সংশ্লিষ্ট খবর

হামের উপসর্গ নিয়ে আরো ৫ শিশুর মৃত্যু
০৩ জুলাই ২০২৬

হামের উপসর্গ নিয়ে আরো ৫ শিশুর মৃত্যু

হামের উপসর্গ নিয়ে দেশে আরো পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে গত ১১০ দিনে দেশে হাম ও হামের উপসর্গে মৃতে...

অতিরিক্ত করলা খেলে হতে পারে মারাত্মক ক্ষতি
০২ জুলাই ২০২৬

অতিরিক্ত করলা খেলে হতে পারে মারাত্মক ক্ষতি

করলার স্বাদ সাধারণত বিশ্বের গ্রীষ্মমন্ডলীয় অঞ্চলে পাওয়া যায় এবং এর তীব্র তেতো স্বাদ রয়েছে। তবে এর অন...

ব্রেন টিউমারের লক্ষণ, কারণ ও আধুনিক চিকিৎসা
০১ জুলাই ২০২৬

ব্রেন টিউমারের লক্ষণ, কারণ ও আধুনিক চিকিৎসা

প্রফেসর ডা. মো. জিল্লুর রহমানমাথাব্যথা, দৃষ্টিশক্তির সমস্যা, খিঁচুনি বা আচরণগত পরিবর্তনের মতো কিছু উ...

হামের উপসর্গে আরো ২ শিশুর মৃত্যু, এ পর্যন্ত মৃত্যু ৭১৮
৩০ জুন ২০২৬

হামের উপসর্গে আরো ২ শিশুর মৃত্যু, এ পর্যন্ত মৃত্যু ৭১৮

হামের উপসর্গ নিয়ে ২৪ ঘণ্টায় (গত সোমবার সকাল আটটা থেকে মঙ্গলবার সকাল আটটা পর্যন্ত) দেশে আরো দুই শিশু...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

কোনো সক্রিয় জরিপ নেই