বিদেশে লোভনীয় চাকরি ও কাজের ভিসার প্রলোভন দেখিয়ে প্রতারণার অভিযোগে ২০ জনকে আটকের পর তাঁদের মধ্যে ১২ জনের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়েছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়নের (এসআরবি) ভ্রাম্যমাণ আদালত। তাঁদের মধ্যে সাতজনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড এবং পাঁচজনকে জরিমানা করা হয়েছে। বাকি আটজন তুলনামূলক দরিদ্র হওয়ায় তাঁদের ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর টেকনিক্যালে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান এসআরবি কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাফিজুর রহমান।
তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার সকাল থেকে বাংলাদেশ-কোরিয়া কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের আশপাশে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে এসআরবি। এ সময় জাল ভিসার মাধ্যমে বিভিন্ন দেশে লোক পাঠানোর সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ২০ জনকে আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাঁদের মধ্যে সাতজনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড এবং পাঁচজনকে জরিমানা করা হয়।
আটক ব্যক্তিদের কয়েকজন নিজেদের ‘জিয়ার সৈনিক’ পরিচয় দিয়ে স্লোগান দেওয়ার বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাফিজুর রহমান বলেন, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী আনুষ্ঠানিকভাবে আসামিদের বক্তব্য নেওয়ার কথা নয়। কেউ আলাদাভাবে বক্তব্য নিয়ে থাকলে সেটি ভিন্ন বিষয়।
তিনি বলেন, অপরাধী গ্রেফতারের পর নিজেকে বাঁচানোর জন্য নানা ধরনের বক্তব্য দিয়ে থাকে। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে দু-একজন ‘জিয়ার সৈনিক’ বলে স্লোগান দিচ্ছিলেন। কেউ কেউ কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরিচয় থাকার কথাও বলছিলেন।
এসআরবি কর্মকর্তা বলেন, “‘জিয়ার সৈনিক’ পরিচয় দিয়ে কিংবা এখানকার কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরিচয় আছে বলে দাবি করে এসআরবির কাছে কোনো লাভ নেই। অপরাধ করার সময় তাঁদের গ্রেফতার করা হয়েছে এবং শাস্তি দেওয়া হয়েছে। অন্য কার সঙ্গে কোথায় পরিচয় আছে, সেটি আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ নয়। নিজেদের বাঁচাতে তাঁরা এ ধরনের কথা বলে থাকেন।”
সানা/কেএমএএ/আপ্র/৯/১০/২০২৬