ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল (ডিএজি) ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল (এএজি) নিয়োগে অনিয়ম এবং আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ তুলে অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ করেছেন বিএনপিপন্থি আইনজীবীদের একাংশ।
রোববার (২ আগস্ট) সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের ব্যানারে আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে এসব অভিযোগ করেন তারা।
বিক্ষোভকারী আইনজীবীরা অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিনের আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় থাকা এবং বিভিন্ন সময়ে মামলা, হামলা ও কারাভোগ করা অনেক যোগ্য আইনজীবীকে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল পদে নিয়োগ দেওয়া হয়নি। এর পরিবর্তে আর্থিক লেনদেন ও বিশেষ সুবিধার ভিত্তিতে কিছু ব্যক্তিকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে তারা দাবি করেন।
তাদের বক্তব্য, রাষ্ট্রের পক্ষে গুরুত্বপূর্ণ মামলা পরিচালনার দায়িত্বে থাকা এসব পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে আইনজীবীদের যোগ্যতা, পেশাগত দক্ষতা, অভিজ্ঞতা ও দীর্ঘদিনের ত্যাগকে গুরুত্ব দেওয়া উচিত ছিল। কিন্তু নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সেই নীতি অনুসরণ করা হয়নি।
সমাবেশ থেকে বিতর্কিত নিয়োগ বাতিল করে আন্দোলন-সংগ্রামে সম্পৃক্ত ও যোগ্য আইনজীবীদের পুনর্বিবেচনার মাধ্যমে নিয়োগ দেওয়ার দাবি জানানো হয়।
বিক্ষোভ সমাবেশে আইনজীবী আকতার হোসেন, শরীফ ইউ আহমেদ, আইয়ূব আলী আশরাফী, মাসুদ রানা, আশিক নজরুল, মো. ইসা, এবিএম ইব্রাহীম খলিল, আনিসুর রহমান খান, জহিরুল ইসলাম সুমন ও আনোয়ারা শিখাসহ অনেকে বক্তব্য দেন।
উল্লেখ্য, গত ৩০ জুলাই আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের সলিসিটর অনুবিভাগ পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে আগের সব ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের নিয়োগ বাতিল করে।
এরপর নতুন করে ৮৬ জন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এবং ১৭৯ জন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল নিয়োগ দেওয়া হয়। এই নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়েই বিএনপিপন্থি আইনজীবীদের একটি অংশ আপত্তি জানিয়ে বিক্ষোভ করে।
সানা/আপ্র/৩/৮/২০২৬